eRJkabbo.com

Last Update
Loading...
Menu

Sunday, September 6, 2020

eBook

eBook

সংশয় প্রকাশনীর ইবুক

ঈশ্বর বিষয়ক

ধর্মীয় এবং ধর্ম সম্পর্কিত বই সমূহ

দর্শন বিষয়ক

ইতিহাস বিষয়ক

বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদ বিষয়ক

সাহিত্য

অন্যান্য

বাঙলা বই পড়ার জন্যঃ

Saturday, August 22, 2020

লোকে কি বলবে - আয়মান সাদিক

eBook : লোকে কি বলবে - আয়মান সাদিক



Motivational speaker and the founder of the 10 Minuter School, Ayman Sadiq and Sakib Bin Rashid wrote this book. Loke Ki Bolbe book has published in 2020 Ekushe Book Fair. The PDF copy of this book is not published officially. But we got a PDF copy of this book over the Internet and added here in this blog for the reader’s convenience. Adarsha Publisher published this book in 2020. The PDF size of this book is 72 Mb and this book has a total of 136 pages. Loke Ki Bolbe (?) is a motivational book.

Book Details:

  • Book Name: Loke Ki Bolbe?
  • Author: Ayman Sadiq & Sakib Bin Rashid
  • Genre: Motivational Books
  • Category: Novels
  • Publisher: Adarsha
  • Published: 2020
  • Total pages: 136
  • PDF Size: 72 Mb

This Book is new, So Considering the publisher and the writer’s circumstance, we removed the PDF copy of this book. Please collect the hardcopy of this book from Adarsha Publisher’s. After getting publisher’s permission, we will provide the PDF copy of this book. For Our all update follow us to Facebook page.

Thursday, May 14, 2020

BCS Exam all Book PDF Download – বিসিএস এর সব পিডিএফ বই ডাউনলোড

BCS Exam all Book PDF Download – বিসিএস এর সব পিডিএফ বই ডাউনলোড

Download BCS PDF Books | বিসিএস এর সকল পিডিএফ বই ডাউনলোড করুন এখান থেকেঃ

আপনার পছন্দের বিসিএস এর সকল বই এখানে ডাউনলোড করুন । বিসিএস প্রিলিমিনারি ওরাকল লেকচার শিট:

1.  Oracle ইংরেজি (লেকচার ১-১৫)
2.  সাধারণ বিজ্ঞান (লেকচার ১-৪)  (Oracle)
3.  বাংলা সাহিত্য(লেকচার ১-৪) Oracle
কনফিডেন্স Lectures

4.  বাংলাদেশ বিষয়াবলি (সংবিধান অংশ) Confidence:

5.  নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও সুশাসন: Confidence:

6.  গণিত: ওরাকল (লেকচার ১-৩)

7.  গণিত: ওরাকল (লেকচার ৪)

8.  গণিত: ওরাকল (লেকচার ৬-৭) 

9.  বাংলাদেশ বিষয়াবলি (লেকচার ১-৪)

10.  আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি (লেকচার ১-২) 

11.  আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি (লেকচার 3-4)

 

বিসিএস এর জন্য প্রয়োজনীয় সব বই – নোট

১.প্রিলি বাংলা (সাহিত্য)

http://bit.ly/1VmfFbg 

http://bit.ly/1RUolTJ

২.বাংলা প্রশ্নব্যাংক (বিসিএস ও ব্যাংক)

 

লিখিত এর জন্য: 

৩.প্রফেসর’স বাংলা

৪.প্রফেসর’স ইংরেজি

৬.প্রফেসর’স আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি

৮.এসিউরেন্স ডাইজেস্ট

৯.লাল নীল দীপাবলি

১০.ইজি কম্পিউটার 1

ইজি কম্পিউটার 2

১১.গ্রন্থ সমালোচনা- মোহসিনা নাজিলা:

১২.ওরাকল মানসিক দক্ষতা:

১৩.ওরাকল গাণিতিক যুক্তি:

১৪.অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১৫:

১৫.শেখ মুজিব আমার পিতা:

১৬.অসমাপ্ত আত্মজীবনী:

১৭.চরমপত্র- এম আর আক্তার মুকুল:

১৮.স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্রঃ (হাসান হাফিজুর রহমান)

১৯.মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস

২০.বাংলা একাডেমির ”বাংলা বানানের নিয়ম” 

২১.হাজার বছরের পুরানো বাঙালা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা:
বিসিএস সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ পোস্টসমূহ একসাথে ।

২২.English For Competitive Exam:

২৩.Common Mistakes in English (TJ Fitikides)

২৪.English Grammar by Wren & Martin:

সাইফুর্স  রিটেনের লেকচার শিট

প্রথম কিস্তি:

বিজ্ঞান-১+২+৩

আন্তর্জাতিক ১

আন্তর্জাতিক ২

ইংলিশ ১
ইংলিশ ২

দ্বিতীয় কিস্তি:

সাইফুর’স রিটেন লেকচার শীট -২
বাংলা-১
ইংলিশ -৩
বাংলাদেশ -১
বাংলাদেশ – ২

তৃতীয় কিস্তি:
সাইফুর্স বিসিএস রিটেন লেকচার শীট পার্ট – ৩

ম্যাথ ১
ম্যাথ ২
ম্যাথ ৩
বাংলা ২
বিজ্ঞান ৪+৫
বিজ্ঞান ৬+৭

চতুর্থ কিস্তি: 

আন্তর্জাতিক ৩

আন্তর্জাতিক ৪

আন্তর্জাতিক ৫

আন্তর্জাতিক ৬

ইংলিশ ৩

#মোজাহিদুল ইসলাম

আরও কিছু মূল্যবান বই এর তালিকাঃ

Professors Math Special

Oracle Preliminary Mathematical Reasoning

MP3 Daily Science

MP3 English Review

MP3 Bangla

MP3 Environment and disaster Management

MP3 Easy Computer

MP3 Bangladesh Affairs

MP3 International Affairs

BCS Assurance book

Important NCTB Board Books link:

বিসিএস প্রিলিমিনারি ও লিখিত সিলেবাস এবং বোর্ড বই । গুগল ড্রাইভ ডাউনলোড লিংক :

#BCS SYLLABUS
1. Preliminary Syllabus – http://bit.ly/2PWBKyW
2. Written Syllabus – http://bit.ly/2r3DPR1

#বিসিএস এর প্রয়োজনীয় বোর্ড বই (৬ষ্ঠ শ্রেণি)
১. গণিত – http://bit.ly/2M8p6vH
২. বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি – http://bit.ly/2rQoTX4
৩. বিজ্ঞান – http://bit.ly/2rYTPV0
৪. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি – http://bit.ly/2tnPP0v
৫. বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় – http://bit.ly/2S4fLZx

#বিসিএস এর প্রয়োজনীয় বোর্ড বই (৭ম শ্রেণি)
১. বাংলা ব্যকরণ ও নির্মিতি – http://bit.ly/2sCKQJ2
২. গণিত – http://bit.ly/2tqWRS9
৩. বিজ্ঞান – http://bit.ly/36OsXpA
৪. বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় – http://bit.ly/36N5CEv
৫. English Grammar and Composition- http://bit.ly/2YZBFys
৬. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি – http://bit.ly/2rYHXCn

#বিসিএস এর প্রয়োজনীয় বোর্ড বই (৮ম শ্রেণি)
১. বাংলা ব্যকরণ ও নির্মিতি – http://bit.ly/2Z0yUwM
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি – http://bit.ly/2rYHXCn
৩. English Grammar and Composition- http://bit.ly/2S3pxeo
৪. বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় – http://bit.ly/2sFZr6m
৫. বিজ্ঞান – http://bit.ly/2r5kK0Z
৬. গণিত – http://bit.ly/2sDFtcz

#বিসিএস এর প্রয়োজনীয় বোর্ড বই (৯ম শ্রেণি)
১. বাংলা ভাষার ব্যাকরণ – http://bit.ly/36TGAE1
২. গণিত – http://bit.ly/2S32lNd
৩. English Grammar and Composition – http://
bit.ly/2PAUhSl
৪. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি – http://bit.ly/38NzWAJ
৫. বিজ্ঞান – http://bit.ly/38TwXqo
৬. পদার্থবিজ্ঞান – http://bit.ly/2PWwpHH
৬. রসায়ন – http://bit.ly/35BmIF8
৭. জীববিজ্ঞান – http://bit.ly/38USgrY
৮. উচ্চতর গণিত – http://bit.ly/34zhfgW
৯. ভূগোল ও পরিবেশ – http://bit.ly/34EJZ8c
১০. পৌরনীতি ও নাগরিকতা – http://bit.ly/36MVMm7
১১. বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় – http://bit.ly/2rQs1SO
১২. বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা – http://bit.ly/2r9ZV4A

Book links are Collected from Facebook.

Thanks for reading. Bookmark our website in your browser to get easily updates.

Thursday, May 7, 2020

প্রিয়তমা - সালাহউদ্দিন জাহাঙ্গীর (স্ক্যান কোয়ালিটি)

✽বই- প্রিয়তমা
✽লেখক- সালাহউদ্দীন জাহাঙ্গীর
✽প্রকাশনী : নবপ্রকাশ
✽বিষয় : সীরাতে রাসূল (সা.)
✽মূল্য : ৫২০ টাকা
✽পৃষ্ঠা : ৩৫০
💖প্রিয়তমা স্ত্রীকে যখন স্নিগ্ধ সকালে কাঁঠাল চাঁপা হাতে দিয়ে বলল:
                💕 "শরতের শিশির ভেজা সকালে 
                      তোমাকে আমার ভালোবাসার 
                        স্নিগ্ধ সুবাসভরা ফুলেল 
                        শুভেচ্ছা হে প্রিয় "আজিজা"💕
💖তখন কি আর কোনো পরাজয় বরণ না করে থাকা যায়?নিশ্চয়ই তখন অতীতের চাওয়া পাওয়া গুলো ধূলিমলিন হয়ে মাটিতে মিশে একাকার হয়ে গিয়ে প্রিয়তমার চোখে এক ফোঁটা  আনন্দ অশ্রু বেয়ে পরে সাথে মৃদু ঠোঁটের কোণে একচিলতে হাসি ফুটে উঠে।ঠিক এমনই হোক প্রতিটি প্রিয়তমার জীবন ও সংসার। যেখানে স্বামী হবে তার  প্রেমিক ....... ।

💖ঠিক এমনই আদর্শ ভালোবাসার নিদর্শন দেখিয়ে গেছেন আমাদের সবার ভালোবাসার কেন্দ্র-বিন্দু হযরত মুহাম্মদ (স.) তাঁর পারিবারিক জীবনে।শিখিয়ে গেছেন প্রিয়তমা স্ত্রীকে কতটুকু ভালোবাসতে হবে আর তাঁর প্রিয়তমা স্ত্রীদের আদর্শে অনুপ্রাণিত করে গিয়েছেন প্রতিটি উম্মতি মুহাম্মদের প্রিয়তমাদের।

💖সুন্দর সাবলীল বোধগম্য রোমান্টিকতার আশ্রয়ে নির্মিত হয়েছে এই "প্রিয়তমা" যা আমাদের জানিয়ে দেয় আদর্শ রমণীদের "জীবনী" যাতে রয়েছে প্রিয় নবীর প্রিয়তমা স্ত্রীদের বর্ণনা,তাদের সংসার এবং সংগ্রামী জীবন। 

💕"এ আনন্দ সংবাদ ধরিত্রীর বুকে বেজে ওঠার পর-

রাতের আকাশের তারারা মুহূর্তে যেন তাদের কক্ষপথ ভুলে ছোটাছুটি করতে লাগল মহাকাশময়।আরবের মরুতে বেজে উঠল সাইমুম-সানাই!বৃক্ষ আর পাখিরা সঙ্গোপনে কানাকানি করল-খুব শিগগির পৃথিবীতে দেখতে পাব ভালোবাসার এক অমর প্রেম কাহিনী। যে প্রেমকাহিনি শত-সহস্র বছর ধরে পৃথিবীর বুকে আগত প্রতিটি মানুষকে শেখাবে ভালোবাসার প্রথম ও শেষ সবক।যে প্রেমের উপমা দিয়ে রচিত হবে ইশকের ইশতেহার-

ভালোবাসো তোমার হৃদয়েশ্বর স্বামীকে এইভাবে,যেভাবে প্রিয়তমা আয়েশা অন্তরের তড়প দিয়ে উষ্ণতা দিয়ে গেছেন মুহাম্মদকে .....।

ভালোবাসো তোমার দিলরুবা স্ত্রীকে এইভাবে,যেভাবে রাসূল মুহাম্মদ ভালোবেসে গেছেন তাঁর প্রিয়তমা আয়েশাকে........।"💕

∎প্রথমেই কিছু কথা:
▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔
“প্রিয়তমা”…. প্রথমে বই এর নামটা দেখে ভেবেছিলাম হয়তো কোনো প্রেমের উপন্যাস টুপন্যাস হবে হয়তো,এটা আমার জন্য নয়।পরে যখন মূল থিমটা নিয়ে একটু পড়লাম দেখলাম নবীজীর স্ত্রীদের নিয়ে লেখা একটা বই।রাসূলের স্ত্রীদের মধ্যে আমি খাদিজা (রা:) আর আয়েশা (রা:) সম্পর্কেই জানতাম কিছুটা,তাই তার সংসার জীবন নিয়ে আরেকটু জানতে বইটি কেনা…কিন্তু পরবর্তীতে আমার ভুল আরও ভাংলো।

∎ বইটি কী নিয়ে লেখা?
▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔
বই পড়ার পর আমি বুঝতে পারলাম যে এটা আসলে শুধুই সংসার বা নবীর স্ত্রীদের নিয়েই নয়, বরং এটা একটা চমৎকার “সীরাহ” গ্রন্থ। এখানে স্ত্রীদের অসাধারণ ব্যক্তিত্বকে হাইলাইট করা হয়েছে।আমি সীরাহ পড়তে খুব ভয় পেতাম শব্দকাঠিন্যের কারণে,তবে এই বইটি পড়ার পর থেকে শুধু এখন সীরাহ গ্রন্থ খুজে বেড়াই… কারণ হলো,বইটি এমন গল্পভাষ্যে লেখা আর এত সুন্দর সাহিত্যরস আছে এতে যে পড়তে পড়তে পাঠক তার লেখায় ডুবে যেতে বাধ্য।

∎ কী কী পাবেন বইতে?
▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔
– বেশির ভাগ গুরুত্বপূর্ণ হাদিস গুলো আসার বিস্তারিত কাহিণী,
– রাসূলের ১১ জন স্ত্রী ও ২ জন দাসীর রাসূলের সান্নিধ্যে কাটানো অসাধারণ জীবনকাহিনী যা আগে কোথাও পাননি এভাবে..
-নবী কেমন ছিলেন তার স্ত্রী, সাহাবী, বন্ধু,আত্মীয় ও প্রতিবেশীদের সাথে?
– নবীর ওপর কিভাবে ওহী নাযিল হতো তার বর্ণনা
– কাকে তিনি সবথেকে বেশি ভালোবাসতেন স্ত্রীদের মধ্যে? এবং কেন?

বইটিতে ১১জন উম্মুল মুমিনিম এর সংসার নিয়ে লেখা হয়েছে তাঁরা হলেনঃ-

১.উম্মুল মুমিনিম খাদিজা বিনতে খুয়াইলিদ।
২.সাওদা বিনতে জামআ।
৩.আয়েশা বিনতে আবু বকর।
৪.হাফসা বিনতে উমর।
৫.জয়নব বিনতে খোজায়মা।
৬.উম্মে সালামা বিনতে উমাইয়া।
৭.জয়নব বিনতে জাহাশ।
৮.জুয়াইরিয়া বিনতে হারিস।
৯.উম্মে হাবিবা বিনতে আবু সুফিয়ান।
১০.মারিয়া কিবতিয়া।
১১.রায়হানা বিনতে জায়েদ।

বইটি পড়ার পর আপনারা বুঝতে পারবেন,
উম্মুল মুমিনিনদের নিয়ে কিছু বিতর্কিত বিষয়।
যেমনঃ রাসূল (সাঃ) কেনো ১১টি বিয়ে করেছিলেন?
কেনো আয়েশার মতো সদ্যকিশোরীকে বউ হিসেবে গ্রহণ করলেন?বিয়ের সময় আয়েশার বয়স কত ছিলো? কেন এক ইহুদিকন্যাকে উম্মুল মুমিনিন হিসেবে সম্মানিত করলেন?
এমন আরও অনেক বিষয়।

∎ কাদের পড়তে সাজেস্ট করবো?
▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔
যারা ভাবেন নবি ও নবীর স্ত্রী মানেই হচ্ছে একদম সবসময় গুরুগম্ভীর হবে তাদের আচরণ, কঠিন কঠিন উপদেশ দিবেন মানুষকে,যেটা আমিও ভাবতাম, এটা আসলে তাদের জন্য।বইটি পড়লে আপনার ভুল ভাংবে কারণ আপনি জানবেন
-তারাও রক্ত মাংসের মানুষ
– তাদের মধ্যেও ঝগড়া হতো
– মনোমালিন্যের কারণে অনেকদিন কথা হতোনা
– কৌতুক হতো
– দৌড় প্রতিযোগিতা হতো
– সতীনদের মাঝে নারীসূলভ ঈর্ষা হতো

∎ বেস্ট পার্ট কী?
▔▔▔▔▔▔▔▔▔
বই পড়তে পড়তে আপনি কাদবেন,অনেক জাগায় একা একা হাসবেন,অনেক জাগায় মনে হবে তাদের দেখছেন,নবীকে এতটাই ভালোবাসা শুরু করবেন যে বইটি আপনি ১০ বার পড়লেও বিন্দুমাত্র একঘেয়েমি লাগবেনা, এটাই এর বেস্ট পার্ট।

∎ একটা সাজেশন:–
▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔
প্রথন পাঠক হিসেবে যারা সীরাহ খুজছেন পড়তে,অনায়াসে এটা চোখ বুজে কিনে নিন।কথা দিচ্ছি আপনার সীরাহ পড়ার প্রতি ভালোবাসা বেড়ে যাবে,ঈন শা আল্লাহ!

∎ মন্তব্য
▔▔▔▔▔
“রিয়েল লাইফ হিরো” কে ভালোবেসেছেন কখনো? যদি ভালোবাসতে চান, এবং তার স্ত্রীদের তার জীবনে নানা অবদান নিয়ে জানতে চান,অবশ্যই পড়তে হবে প্রিয়তমা বইটি।


ডাউনলোড লিংকঃ  প্রিয়তমা 

Saturday, May 2, 2020

মুক্ত বাতাসের খোঁজে (হাই কোয়ালিটি)

বই: মুক্ত বাতাসের খোঁজে


এক জঙ্গনামা। লড়াইটা এক অক্টোপাসের সাথে। নীলরঙা অক্টোপাস। ব্যক্তিসত্তা, সমাজমানসকে প্রতিমুহূর্তে আগের চেয়ে আরও জোরে পেঁচিয়ে নিচ্ছে আট পায়ে। সমস্যা হলো অক্টোপাসটি একটি ট্যাবু (taboo)। তার নাম নেয়া যায় না, আলোচনা করা যায় না, তার ক্ষতি চিৎকার করে জানিয়ে দেওয়া যায় না সবাইকে। এই সুযোগে সে আরও প্যাঁচ কষে চলেছে। মড়মড় করে ভাঙছে পরিবার, ভাঙছে সমাজ, ভাঙছে আইন, মূল্যবোধ-সুকুমারবৃত্তি, ভাঙছে জীবন—এক একটা স্বপ্ন খানখান হয়ে ভেঙে যাচ্ছে। যেগুলো ভাঙেনি ঝুরঝুরে হয়ে দাঁড়িয়ে আছে একটু ঝাঁপটার অপেক্ষায়।

পর্ন, পর্নোগ্রাফি, ব্লু ফিল্ম। একটা অসুখ। প্রতিটা গোঁফের রেখা গজানো কিশোর মুখের দিকে তাকান, প্রতিটা উদ্দাম কলেজপড়ুয়া স্বপ্নবাজ তরুণ, ভার্সিটির চোখ নামিয়ে চলা প্র্যাক্টিসিং ছাত্র, গালফোলা দুই বেণিওয়ালা বাচ্চা মেয়ে, জ্যামে ঝুলে থাকা প্রতিটি কর্মজীবীর ঘর্মাক্ত মুখের দিকে তাকান। বিশ্বাস করতে কষ্ট হলেও এটাই সত্যি। এক কঠিন দুরারোগ্য অসুখে ভুগছে প্রতিটি মানবসন্তান। অথবা যেকোনো সময় মহামারির গ্রাস হবার অপেক্ষায়। আপনার কেবল দাঁড়াতে শেখা মেয়েটার দিকে একটু তাকান। সদ্যভূমিষ্ঠ ছেলেটার দিকে তাকান। কী এক মড়কওয়ালা শ্মশান রেখে যাচ্ছেন তার জন্য!

এখন ঠিক এই মুহূর্তটিতে আপনার জন্য সবচেয়ে জরুরি এই বইটি পড়া, অক্সিজেনের চেয়েও। বিশ্বাস করুন—হ্যাঁ, আপনার শ্বাসের চেয়েও। আপনাকে বুঝতে হবে, আপনাকে জাগতে হবে; না হলে অনেক দেরি হয়ে যাবে। অনেক দেরি। আপনাকে স্মরণ করতে হবে, “আপনি একজন যোদ্ধা”। প্রবাহতাড়িত একটি “গড্ডল” না আপনি। একটু মনে করার চেষ্টা করুন, আপনি যুদ্ধ করার জন্যই জন্ম নিয়েছেন। আর এ যুদ্ধে আপনি জিতবেন, আপনাকে জিততে হবে। এ জয় ছাড়া আপনার হাতে আর কোনো অপশন নেই। দমবন্ধ এই পৃথিবীতে আপনার খুঁজে নিতে হবে মুক্ত বাতাস। যেখানে চোখবুজে লম্বা শ্বাস টেনে নিলে নির্মল শীতল বাতাস পূর্ণ করবে আপনার প্রতিটি অ্যালভিওলাস। পরবর্তী প্রজন্মের অভিশাপের আর্তনাদ থেকে বাঁচতে আপনাকে নিশ্চিত করতে হবে তাদের অধিকার—একঝলক মুক্ত বাতাস।

বইটির লেখক, কলাকুশলীদের প্রাণভরা দু’আ। আল্লাহ তাদের এই খিদমতের বরকতে আমাদের বুঝ দান করুন। আমি চিকিৎসাবিদ্যাগত বিষয়গুলো দেখেছি আল্লাহর ইচ্ছায়, প্রয়োজনমতো পরিবর্তন-পরিমার্জনের পরামর্শ দিয়েছি। পর্নোগ্রাফির শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যগত প্রলয়, এই ইন্ডাস্ট্রির নেপথ্যের কান্নার নৈঃশব্দ্য, মুক্ত বাতাসের যুদ্ধের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ—এ আয়োজনে আমি অভিভূত। বইটি আমাদের সত্তার মানবীয় অংশটাকে জাগাক, অনুশোচনায় “অগ্নিদগ্ধ” করুক, চোখের পানি হৃদয় পোড়াতে পোড়াতে নামুক। সে পোড়া ছাই থেকে ফিনিক্স পাখির মতো জন্ম নিক এক “যোদ্ধা”, এক “আপনি”, এক “আমি”।

কোথায় পাব তারে …

☑ বইঃ মুক্ত বাতাসের খোঁজে
☑ প্রকাশনীঃ Ilmhouse Publication
☑ লেখকঃ লস্ট মডেস্টি ব্লগ
☑ সম্পাদকঃ আসিফ আদনান
☑ পৃষ্ঠা সংখ্যাঃ ২৩০
☑ মূল্যঃ ২৩০ টাকা .
◼ বইটি কী নিয়ে লেখা জানতে- http://bit.ly/2H2DG3i
◼ বই সম্পর্কে পাঠকদের মতামত (Review)- https://justpaste.it/6iqjv
◼  ‘মুক্ত বাতাসের খোঁজে’ বইটির প্রাপ্তিস্থান- https://bit.ly/2EK91tB

বইটির ডাউনলোড করতেঃ Downlode Link

Saturday, April 4, 2020

প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ-২ আরিফ আজাদ (স্ক্যান ভার্সন)


প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ-২ 

Title প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ ২
Author আরিফ আজাদ
Publisher সমকালীন প্রকাশন
Quality পেপারব্যাক
ISBN 9789849420309
Edition 2nd Edition, 2019
Number of Pages 240
Country বাংলাদেশ
Language বাংলা




"প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ ২" বইয়ের পিছনের কভারের লেখা:
ঘুটঘুটে অন্ধকার! সেই অন্ধকার গ্রাস করে আছে সবকিছু। এমন সময় কোথা থেকে যেন ছুটে আসে এক উষ্ণ আলােক রশ্মি। সেই আলাের পরশে নিমিষেই মিলিয়ে যায় অন্ধকার রাত। প্রভাতী কিরণের মতােই চতুর্দিকে ছড়িয়ে পড়ে এই আলােক রশ্মি। যাত্রা হয় এক নতুন দিনের, নতুন সময়ের। এমনই আবহে সত্য ও পবিত্র পথের সন্ধানে দুঃসাহসিক অভিযাত্রার গল্প নিয়ে এগিয়ে যায় সাজিদ-আর অবিশ্বাসের দেয়ালে গেঁথে যায় বিশ্বাসের। কথামালা। ভেঙে পড়ে অবিশ্বাসের দেয়াল। নির্মিত হয় সত্যের ইমারত। সত্য আর শুভ্রতার সেই গল্পে আপনিও একজন অংশীদার...।


বইয়ের সূচিপত্রঃ

* কুরআন কি নারীদের শস্যক্ষেত্র বলেছে?- ১৫
* A Reply to Christian Missionary- ২৫
* ইসলাম কি অমুসলিমদের অধিকার নিশ্চিত করে?- ৪০
* কুরআনে বৈপরীত্যের সত্যাসত্য- ৫১
* বনু কুরাইজা হত্যাকাণ্ড—ঘটনার পেছনের ঘটনা- ৬৩
* স্যাটানিক ভার্সেস ও শয়তানের ওপরে ঈমান আনার গল্প- ৮০
* রাসূলের একাধিক বিবাহের নেপথ্যে- ৯২
* জান্নাতেও মদ?- ১১৩
* গল্পে জল্পে ডারউইনিজম- ১২৫
* কুরআন কেন আরবী ভাষায়- ১৩৬
* সূর্য যাবে ডুবে- ১৫৩
* সমুদ্রবিজ্ঞান- ১৬৪
* লেট দেয়ার বি লাইট- ১৭৯
* কাবার ঐতিহাসিক সত্যতা- ১৯৮
* নিউটনের ঈশ্বর- ২১৫
* পরমাণুর চেয়েও ছোট- ২২৫
* লেখক-পরিচিতি- ২৩৫


বইয়ের কিছু কথাঃ

কুরআন কি নারীদের শস্যক্ষেত্র বলেছে?
অনেকদিন পর শাহবাগে হঠাৎ নীলু দা’র সাথে দেখা। প্রথমে খেয়াল করিনি। পেছন থেকে এসে আমার মাথায় টোকা দিয়ে বললেন, কী খবর কবি সাহেব?’
পেছন ফিরতেই দেখি হাতে একগাদা বই নিয়ে নীলু দা দাঁড়িয়ে আছেন। চোখে মোটা ফ্রেমের কালো চশমা লাগিয়েছেন বলে দেখতে একদম স্কুল মাস্টারের মতো লাগছে। খয়েরি রঙের টি-শার্ট গায়ে। আমি খুবই অপ্রস্তুত ছিলাম। বললাম, আরে দাদাভাই যে! কেমন আছ?
‘ভালো। তুই কেমন?’
‘ভালো।’
কুশলাদি বিনিময় করতে করতে আমরা একটি ফাঁকা স্থানে এসে দাঁড়ালাম। নীলু দা জিজ্ঞেস করল, ‘সাজিদ কোথায়?’
এই মুহূর্তে সাজিদ কোথায় তা আমিও জানি না। একটু আগেও সে আমার সাথে ছিল। আমি মোবাইলে টাকা রিচার্জ করে এসে দেখি সে উধাও। কখন থেকে ফোন করেই যাচ্ছি! যদিও জানি, সে আমার ফোন ওঠাবে না, তবুও ব্যর্থ চেষ্টা করে যাওয়া আরকি! কতক্ষণই বা এরকম কাঠফাঁটা রোদে দাঁড়িয়ে থাকা যায়?
নীলু দা’র প্রশ্নের জবাবে বললাম, ‘আছে হয়তো এদিকে কোথাও।’…


Author Information
আরিফ আজাদ

আরিফ আজাদ একজন জীবন্ত আলোকবর্তিকা- লেখক আরিফ আজাদকে বর্ণনা করতে গিয়ে একথাই বলেছেন ডঃ শামসুল আরেফিন। গার্ডিয়ান প্রকাশনী আরিফ আজাদের পরিচয় দিতে গিয়ে লিখেছে, “তিনি বিশ্বাস নিয়ে লেখেন, অবিশ্বাসের আয়না চূর্ণবিচুর্ণ করেন।” আরিফ আজাদ এর বই মানেই একুশে বইমেলায় বেস্ট সেলার, এতটাই জনপ্রিয় এ লেখক। সাম্প্রতিককালে বাংলাদেশের সাহিত্য অঙ্গনে সবচেয়ে আলোড়ন তোলা লেখকদের একজন আরিফ আজাদ। ১৯৯০ সালের ৭ই জানুয়ারি চট্টগ্রামে জন্ম নেয়া এ লেখক মাধ্যমিক শিক্ষাজীবন শেষ করে চট্টগ্রাম জিলা স্কুলে। একটি সরকারি কলেজে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন এবং সেখানে উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন করেন। লেখালেখির ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই আরিফ আজাদ এর বই সমূহ পাঠক মহলে ব্যাপক সাড়া ফেলে। তার প্রথম বই ‘প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ’ ২০১৭ সালের একুশে বইমেলায় প্রকাশ পায়। বইটির কেন্দ্রীয় চরিত্র সাজিদ বিভিন্ন কথোপকথনের মধ্যে তার নাস্তিক বন্ধুর অবিশ্বাসকে বিজ্ঞানসম্মত নানা যুক্তিতর্কের মাধ্যমে খণ্ডন করে। আর এসব কথোপকথনের মধ্য দিয়েই বইটিতে অবিশ্বাসীদের অনেক যুক্তি খণ্ডন করেছেন লেখক। বইটি প্রকাশের পরপরই তুমুল জনপ্রিয়তা পায়। এটি ইংরেজি ও অসমীয়া ভাষায় অনূদিতও হয়েছে। ২০১৯ সালের একুশে বইমেলায় ‘প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ - ২’ প্রকাশিত হয়ে এবং এটিও বেস্টসেলারে পরিণত হয়। সাজিদ সিরিজ ছাড়াও আরিফ আজাদ এর বই সমগ্রতে আছে ‘আরজ আলী সমীপে’ এবং ‘সত্যকথন’ (সহলেখক) এর মতো তুমুল জনপ্রিয় বই।

ডাউনলোড লিংকঃ



Thursday, April 2, 2020

প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ - আরিফ আজাদ

প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ - আরিফ আজাদ
প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ

লেখক : আরিফ আজাদ
প্রকাশনী : গার্ডিয়ান পাবলিকেশন্স
বিষয় : অন্ধকার থেকে আলোতে
বর্তমান যুগ হলো প্রেজেন্টাশানের যুগ। একটা জিনিসকে আপনি কিভাবে, কতোটা সহজে, কতোটা সাবলীলভাবে, কতোটা মাধুর্যতায় প্রেজেন্টেশান করছেন তার উপর কিন্তু অনেক কিছুই নির্ভর করে। ন্যাচারালি, মানুষের একটা স্বভাব হচ্ছে – এরা তত্ত্বকথা খুব কম হজম করতে পারে। এরা চায় সহজবোধ্যতা। প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ এর লেখক আরিফ আজাদ ঠিক এই পদ্ধতিই বেছে নিয়েছেন। তিনি গতানুগতিক লেকচার বা তত্বকথার ধাঁচে না গিয়ে, বক্তব্যের বিষয়গুলোকে গল্পের ধাঁচে ফেলে সাজিয়েছেন। প্রতিটি গল্পের শুরুতেই আছে মজার, আগ্রহ উদ্দীপক একটি সূচনা। কোথাও বা গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র সাজিদের সাথে তাঁর বন্ধু আরিফের খুনসুটি, কোথাও বা মজার কোন স্মৃতির রোমন্থন, কোথাও বা আছে সিরিয়াস কোন ব্যাপারে সিরিয়াস কোন হুশিয়ারি। গল্পে মজা আছে, আনন্দ আছে। মোটামুটি, সার্থক গল্পে যা যা উপাদান থাকা দরকার, যা যা থাকলে পাঠকের গল্প পাঠে বিরক্তি আসেনা, রুচি হারায় না- তার সবকিছুর এক সম্মিলিত সন্নিবেশ যেন লেখক আরিফ আজাদের এই সিরিজের একেকটি এপিসোড।
গল্পে গল্পে যুক্তি খন্ডন, পাল্টা যুক্তি ছুঁড়ে দেওয়া, পরম মমতায় অবিশ্বাসের অন্ধকার দূরীকরণে এ যেন এক বিশ্বস্ত শিল্পী।
একটা রিভিউ পড়া যাক-

প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ ‘এ মাস্ট রিড’ টাইপের বই। বিশ্বাসী-অবিশ্বাসী, আস্তিক-নাস্তিক সবার জন্য অবশ্যই পাঠ্য।

বইটি অবিশ্বাসের কড়াকে ভেঙ্গে গড়েছেন বিশ্বাসের দৃঢ় সৌধ। অবিশ্বাসী মনকে করেছেন পাল্টা বিশ্বাসের প্রশ্ন। বাহাদুর সাজা কিছু মানুষদের অবিবেচক প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন সাবলীল ভাষায়।

বইটি দ্বিতীয়বার পড়েছি। বইটি পড়ার পর মন থেকে শুধু একটা কথায় উচ্চারিত হয়েছে, এমন একটি বই-ই আমি এতদিন খুঁজছিলাম। আলহামদুলিল্লাহ।

এমন এমন কঠিন প্রশ্নের এত সহজ উত্তর লেখক গল্পে গল্পে উপস্থাপন করেছেন তা বুঝার জন্য বড় কোন বিদ্বান ব্যক্তির দরকার পড়বে না, শুধু বুঝার জন্য একটা সরল মন হলেই হবে। আবার আপসোস হচ্ছে এই ভেবে যে, এর আগে যদি এসব প্রশ্নের উত্তর জানা থাকতো তাহলে এতদিন যারা নিজেদের বুদ্ধির জাহাজ বলে বড় বড় প্রশ্ন করে বসেছিলো, আর আমরা কম জানা লোকজন তাদের সেসব প্রশ্নের উত্তর দিতে না পরার যে লজ্জা এতদিন পেয়ে আসছি সে লজ্জা আর পেতে হতো না।

ইসলাম নিয়ে বিদ্বেষকারীদের সুন্দর একটা কূটকৌশল আছে। আর তাদের এই কৌশলের প্রধান অস্ত্র হলো ‘যুক্তি’। আপনাকে বা আমাকে তারা তাদের মুখস্থ করা কিছু যুক্তি দিয়ে প্রশ্ন করে বেকায়দায় ফেলবে। আর আমরাও যেহেতু ইসলাম নিয়ে, ধর্ম নিয়ে আমাদেরও খুব বেশি পড়াশুনা নেই তখন আমরাও সেসব যুক্তিতে একদম কাবু হয়ে যাই। মনে হবে এইতো বুঝি জ্ঞানের জাহাজে করে আসা মানুষের যুক্তি। আদৌতে সেসব যুক্তি দিয়ে প্রশ্নের ভিতরে কিছু গোঁজামিল আছে। আর দেখবেন তাদের সকলের প্রশ্নগুলো প্রায় একই ধরণের হয়ে থাকে। তারা ভালো করেই জানেন, এসব প্রশ্নের মাধ্যমেই একমাত্র আপনাকে আমাকে কাবু করা সম্ভব। আর সাধারণ পাবলিক হিসেবে আমারও সেসব প্রশ্নের উত্তর বা যুক্তির খণ্ডন তাৎক্ষনিক করা সম্ভব হয় না বিধায় তারাও তাৎক্ষনিক জয়ের কুটিল হাসি হাসতে পারেন।

বিষয়টা হলো তাৎক্ষনিক যুক্তি খণ্ডন করে উত্তর দিতে না পারলেও যে সত্য জিনিস মিথ্যা হয়ে যাবে এমনটা তো নয়।

ধরুন, আপনাকে হঠাৎ আমি প্রশ্ন করে বসলাম, আপনার মা-বাবা কে? আপনিও সহজ সরল বিশ্বাসে আপনার মা-বাবার দিকে আঙ্গুল তুলে বলবেন উনারাই হলেন আমার মা-বাবা। আমি যখন আপনাকে জিজ্ঞাসা করবো, উনারা যে আপনার মা-বাবা তার কি কোন প্রমাণ আছে আপনার কাছে? এই প্রশ্ন যেমন আপনাকে হতচকিত করবে। এটা আপনার এতদিনকার বিশ্বাসের উপর কঠিন এক প্রশ্ন ছুঁড়ে দেয়া। নিশ্চয় আপনি ওই মুহূর্তে আপনি কোন প্রমাণ দিতে পারছেন না বলে হয়তো একটু হলেও আপনার কষ্ট হবে। আবার এমন নয় যে, এই মামুলি প্রশ্নের উত্তরের জন্য আপনি এবং আপনার মা-বাবার ডিএনএ (DNA) টেস্ট করে প্রমাণ দিতে যাবেন! আসলে এটার প্রমাণ দেয়ারও দরকার পরছে না। সব কিছু প্রমাণ দেয়ার দরকার পরে না। কিছু জিনিস বিশ্বাসের উপর থাকতে হয়। আপনার মা-বাবার ক্ষেত্রেও বিশ্বাসটা সে রকম।

এখন আমাদের অবস্থাও এই রকম। আমরাও মনে প্রাণে বিশ্বাস করি আল্লাহ একজন আছেন। তিনি যুগে যুগে নবী-রসুল পাঠিয়েছেন তাঁর বার্তাবাহক হিসেবে। ইহকাল-পরকাল সম্পর্কে মানুষকে জ্ঞান দিয়েছেন। ঐশী গ্রন্থের মাধ্যমে মানুষের বিশ্বাসকে পাকাপোক্ত করেছেন যে, হাশরের কঠিন হিসেবের পর ইহকালীন কৃতকর্মের উপর তারপর তারা পাবেন জান্নাত-জাহান্নাম।

কিন্তু উনাদের কথা একটাই আমরা প্রমাণ ছাড়া বিশ্বাস করি না। কোন কিছু না দেখে বিশ্বাস করি না।
তো আপনারা যদি এখন না দেখে বা প্রমাণ ছাড়া বিশ্বাস নাই করেন তাহলে স্রষ্টা কি সবার কাছে এসে এসে দেখা দিয়ে কি আর বলবে এই বান্দা এই দেখো আমি, এবার আমাকে বিশ্বাস করো! এটা কি যৌক্তিক হবে? স্রষ্টা বরং পুরো ইহজগতে তার নিদর্শন দিয়ে রেখেছেন স্রষ্টাকে চিনার জন্য, বিশ্বাসের জন্য। সেসব দেখেই বরং আপনাকে বিশ্বাস করতে হবে। আর এটাই বিশ্বাস।

আবার সবাই এক জায়গাই এসে একটা ভুল করে ধর্মকে সায়েন্সের সাথে গুলিয়ে ফেলে। ধর্মকে সায়েন্স দিয়ে ব্যাখ্যা করতে চাই। ধর্মের বিশ্বাসের ক্ষেত্রে প্রমাণ দিতে হয় না। বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে প্রমাণ সাপেক্ষে বিশ্বাসের কথা আসে।
সায়েন্সও ভুল থিওরি দিতে পারে। সায়েন্স এর ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় কথা হলো সায়েন্স পরিবর্তন হতে পারে। সায়েন্সে শেষ বা ফাইনাল বলে কোন কথা নেই। দেখা গেছে শত বছর ধরে যেটা সবাই সঠিক বলে যেনে-মেনে আসলো আরেক বিজ্ঞানী এসে আরেক থিওরি দিয়ে সেটা ভুল প্রমাণ করে সে আবার নতুন এক থিওরি দিলো। এবার আবার প্রমাণ সাপেক্ষে সবাই এই বিজ্ঞানীর থিওরি সঠিক হিসেবে মানা শুরু করবে। এটাও আরেক বিজ্ঞানী ভুল প্রমাণ করা পর্যন্ত টিকে থাকবে। আর এটাই হলো সায়েন্স। এটাই সায়েন্সের ধর্ম।

উদাহরণ হিসেবে, এই বইয়ের প্রথম অধ্যায় “একজন অবিশ্বাসীর বিশ্বাস” থেকে আমার মত করে একটা উদ্ধৃতি দিচ্ছি-

‘সূর্য পৃথিবীর চারদিকে ঘুরে’ এটা ছিলো টলেমী নামের এক বিজ্ঞানীর থিওরি। যা টিকে ছিলো প্রায় ২৫০ বছর। এরপর আরেক বিজ্ঞানী থিওরি দিলো যে সূর্য নয় ‘পৃথিবীই সূর্যের চারিদিকে ঘুরে’। এটাও ভুল ছিলো তারপরেও টিকে ছিলো প্রায় ৫০ বছর। কিন্তু আজকের বিজ্ঞান বলছে ‘শুধু পৃথিবী নয় সূর্যও তার কক্ষপথে অবিরাম ঘুরছে’। এখন চিন্তা করুন, যে থিওরি ২৫০ বছর এবং এর পরের থিওরি ৫০ বছর ভুল তথ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠিত ছিলো সে সময়কার মানুষ যারা মারা গেছেন তারা এই বিশ্বাস নিয়েই মারা গেছেন যে, ‘সূর্য পৃথিবীর চারদিকে ঘুরে’ এবং পরবর্তীতে ‘পৃথিবীই সূর্যের চারিদিক ঘুরে’। এখন ঐশী গ্রন্থ কুরআনের কথায় দরুন, কুরআন সেই ২৫০ বছরের জন্য যে কথা বলেছে আবার পরবর্তী ৫০ বছরের জন্যই সেই একই কথা বলেছে এবং বর্তমানেও সেই হুবহু একই কথা বলে যাচ্ছে। তাই সব সময় বিজ্ঞান দিয়ে কুরআনকে জাস্টিফাই করা উচিত নয়।

সবচেয়ে ভালো লেগেছে তাকদির বিষয়ের গল্পটা।

এক স্যার এমন প্রশ্ন করলেন, স্রষ্টা তো আগ থেকেই সব তথা তাকদির লিখে রেখেছেন। এবং মানুষ সে লিখে রাখা অনুযায়ী কাজ করছে। স্রষ্টা কাজ ভালো লিখে রাখলে মানুষ ভালো কাজ করছে বা খারাপ তাকদির লিখে রাখলে খারাপই করেছে। এতে মানুষের দোষ কি? স্রষ্টা যা লিখছে সেই অনুযায়ী তো সে করলো। তারপরেও তাকে কেন স্রষ্টার আগ থেকে লিখে রাখা অনুযায়ী কাজ করার জন্য জাহান্নামে যেতে হবে?

গল্পের নায়ক সাজিদ উত্তর দিলো, স্যার আপনি তো জানেন যে, এই ক্লাসের কে কে ফার্স্ট ক্লাস পাবে, কে সেকেন্ড ক্লাস আবার কে কে ফেল করবো। কারণ, আপনি আপনার স্টুডেন্টের অবস্থা ভালো করেই জানেন এবং কার কেমন মেধা সে অনুযায়ী কে কেমন রেজাল্ট করবে সেটা আপনি চোখ বন্ধকরেই লিখে দিতে পারেন। তো দেখা গেলো আপনার কাগজে লিখে রাখা অনুযায়ী সবাই রেজাল্ট করলো। যারা ফার্স্ট ক্লাস পাবার ফার্স্ট ক্লাস পেলো, সেকেন্ড ক্লাস পাবার তারা সেকেন্ড ক্লাসই পেলো এবং ফেল করার যারা তারা ফেল করলো। এখন যদি ফেল করা স্টুডেন্টরা যদি বলে যে, “স্যার আপনি কাগজে লিখে রেখেছেন বলেই আমরা ফেল করেছি!” তাহলে কি ব্যাপারটা সঠিক হবে বা আপনি মেনে নিবেন? নিশ্চয় এটা সঠিক হবে না। কারণ, শুধু আপনার কাগজে লিখে রাখার উপর তাদের কোন ফলাফল হয়নি।আপনি তো শুধু তাদের মেধা,যোগ্যতা সম্পর্কে ধারণা রাখেন বলেই অগ্রিম বলে দিতে পেরেছেন। আসলে তো তাদের ফলাফল তাদের কৃতকর্মের ফল তথা তাদের পড়াশুনা অনুযায়ীই হয়েছে। আপনার কাগজে লিখে রাখার জন্য হয়নি।

ভাগ্যটাও ঠিক এ রকম। সৃষ্টিকর্তা হলেন আলিমুল গায়েব। তিনি তাঁর বান্দার অতীত-বর্তমান-ভবিষ্যৎ সম্পর্কে সব জানেন। স্রষ্টা জানেন যে, আপনি আজ সকালে একজনকে খুন করবেন। তাই তিনি সেটা আগেই আপনার তাকদিরে লিখে রেখেছেন। এটার মানে এই নয় যে, স্রষ্টা লিখে রেখেছেন বলেই আপনি খুনটি করেছেন। বরং আপনি আজকে খুন করবেন বলেই সেটা স্রষ্টা লিখে রেখেছেন।

বইটি পড়ার পর আমি নিজের মত করে ব্যাখ্যা করা চেষ্টা করেছি। এসব কথা আমার নিজস্ব চিন্তাধারার এবং মস্তিষ্কপ্রসূত। আশা করি ভুল-ত্রুটি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন এবং বইটি পড়বেন।
ধন্যবাদ সবাইকে। এবং লেখাটি বড় হয়ে যাওয়ায় দু:খিত।